অতি বৃষ্টি তে বন্যার আশঙ্কা

বর্ষা কালে বৃষ্টি অতি সাধারণ একটি বিষয়। কিন্তু এবারের বর্ষা শুরু থেকেই প্রচুর জল ঢালছে। যখন‌ই বৃষ্টি হচ্ছে তখন‌ই মুষলধারে এবং অনেকটা সময় নিয়ে হচ্ছে। ফলে নদী নালার স্বাভাবিক জল ধারন ক্ষমতা ছাপিয়ে যাচ্ছে। আর নদী বাঁধ গুলো চাপে পড়ে যাচ্ছে। যাতে নদী বাঁধ ভেঙ্গে না পড়ে তার কারনে অতিরিক্ত জল ছেড়ে দিতে হচ্ছে। দূর্গাপুর ব্যারেজ, মাইথন, পাঞ্চেত সবাই জল ছাড়ছে। ইতিমধ্যেই একলক্ষ আঠারো হাজার কিউসেক জল ছাড়ছে মাইথন আর পাঞ্চেত। আর দূর্গাপুর ব্যারেজ থেকে এক লক্ষ চল্লিশ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। বীরভূমের কোপাই নদী দুই কূল ছাপিয়ে জল জমিতে উঠে এসেছে।

কঙ্কালীতলা শক্তিপীঠ এর নিকটবর্তী এলাকা সম্পূর্ণরূপে জলমগ্ন। মন্দির প্রাঙ্গণেও জল রয়েছে যদিও মন্দিরের গর্ভ গৃহ অংশে এখনও জল ঢোকেনি। অতিরিক্ত জল ছাড়ার ফলে পশ্চিমবঙ্গের নীচু এলাকা এবং পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, এবং হাওড়ার প্লাবিত হ‌ওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মেদিনীপুরের কেলেঘাই নদীর জল বিপদ সীমার উপরে ব‌ইছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং ও নারায়নগড়ের অনেক গ্ৰাম ও রাস্তা ডুবে গেছে। কেলেঘাই ও কপালেশ্বরী নদীর জলের কারনে বহু এলাকায় বন্যা হয়েছে। এছাড়া পটাশপুর, ভগবান পুরে একাধিক গ্ৰাম জলমগ্ন। ফারাক্কা রেল স্টেশনের কাছে অতিবৃষ্টির কারনে ধ্বস নামে তার ফলে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হয়। এছাড়া বিভিন্ন নদী তে বিপদসীমার উপরে জল বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন জেলায় রেড এলার্ট জারি করা হয়েছে।

বন্যা দুর্গতদের জন্য ত্রিপল ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

59 reads