@immortal

A visionary of the eternity

1 followers · 2 following

Happy Ganesh Chaturthi

সবাই কে গনেশ চতুর্থীর শুভেচ্ছা। এই গনেশ চতুর্থীর আরো একটি নাম রয়েছে সেটি হলো বিধায়ক চতুর্থী। এটি শ্রী গনেশ এর জন্মদিন বলে পরিচিত।

92 reads

চৌষট্টি যোগিনীর তাৎপর্য

আমরা তন্ত্র শাস্ত্রে 64 যোগিনীর উল্লেখ পাই। সনাতন ধর্মের যতোগুলো গুরুত্বপূর্ণ দেবী রয়েছে তারা প্রত্যেকেই এই 64 যোগিনীর সদস্যা। যদিও এখন অনেকেই এদের অনেকের নাম শোনেননি।

সময়ের সাথে এবং একাধিক বৈদেশিক আক্রমণের ফলে এদের মন্দির এবং উপসনাস্থল আজকে সঙ্কুচিত। এই দেবীদের অনেকেরই আজ আর অস্তিত্ব নেই। তবে 64 যোগিনী মন্দির ভারতে কয়েকটি রয়েছে। এই সব মন্দিরের গঠন ভারি অদ্ভুত। তথাকথিত সনাতন ধর্মের মন্দিরের সাথে এদের মন্দিরের মিল তেমন নেই।

একটি বিষয় লক্ষণীয় যে এই চৌষট্টি যোগিনীর সদস্যাদের মধ্যে দশ জন মহাবিদ্যাও রয়েছে। এই চৌষট্টি যোগিনীরা আদতে পরমেশ্বরের শক্তির রুপান্তর। এদের মধ্যে আট জন প্রধানা বাকিরা গুনিতক। একটু একটু ব্যাখ্যা করলে বিষয়টি বোঝা যাবে।

প্রথমে পরমেশ্বর কে বোঝা দরকার। পরমেশ্বর বা ঈশ্বর এমন একটি সত্ত্বা যার ওপরে জগৎ এর অস্তিত্ব। একটি জগৎ নয় বদলে 64 টি জগৎ যাকে এখন মাল্টিভার্স বলা হচ্ছে। এই 64 যোগিনীরা এক একটি জগতের আদী জননী। ঈশ্বর হলো সময়ের ব্যাপ্তি। সময় ছাড়া সৃষ্টি হতে পারে না।

চৌষট্টি যোগিনীরা আসলে কারা?
এরা ঈশ্বরের শক্তি থেকে সৃষ্ট নারী শক্তি যাদের মধ্যে ঈশ্বরের শক্তির চার ভাগের এক ভাগ বন্টন করা হয়েছে।

কিন্তু কেন এই বন্টন?
ঈশ্বর তাঁর সৃষ্টি তে ঘুরে বেড়ান। কিন্তু বিশালকায় ঈশ্বর যদি মানব অবতারে আসেন তাহলে কি প্রকারে খুদ্র মানব দেহে ঈশ্বরের সমস্ত শক্তি থাকবে। এছাড়া ঈশ্বর হলো অবিনশ্বর তার জন্ম নেই মৃত্যু নেই। সেই হিসেবে মানব শিশুর দেহ ঈশ্বরের সম্পূর্ণ শক্তি বহন করতে সক্ষম নয়।

অবতারের একটি বিশেষ বয়সে তার শক্তিরা তার কাছে ফিরে আসে। কিন্তু এই ব্যখ্যার তো একটা আধ্যাত্মিক প্রমাণ পৃথিবীতে থাকা উচিত। অবশ্যই রয়েছে সেই সূত্র। আধ্যাত্মিক জ্ঞান অনুযায়ী একটি মানব শরীরে চৌষট্টি টি আত্মা থাকতে পারে। এজন্য আধ্যাত্মিক পরিভাষায় মানব শরীরকে আত্মার জাহাজ বলা হয়।

এই চৌষট্টি টি ঘর বানানো হয়েছে এই চৌষট্টি যোগিনীদের কথা মাথায় রেখে। যখন পরমেশ্বরের অবতারের মধ্যে তার শক্তিরা চৌষট্টি যোগিনী রুপে ফিরে আসে এবং অবতার পরমেশ্বরে পরিনত হন।

তাহলে আসল পরমেশ্বর কোথায় এবং কি অবস্থায় রয়েছেন। এই বিষয়টি আগেই ব্যাখ্যা করেছি পরমেশ্বর কে এবং কি। অর্থাৎ চরাচর এই প্রকান্ড মহাশুন্য পরমেশ্বরের শরীরের উপর স্থিত। তার মধ্যে এই জগৎ গুলি রচিত হয়েছে। পরমেশ্বর আদতে একটি প্রকান্ড শক্তি ক্ষেত্র যার কোন সীমারেখা নেই। তার একটি দৈব রুপ রয়েছে সেটা দেবাদিদেব মহাদেব। সেই রুপ একটি প্রকান্ড দৈত্যের ন্যায় বৃহৎ। এখন সেই রুপ গভীর নিদ্রায় শায়িত, এবং প্রাণ হীন।

তাহলে এই বিষয়টি পরিষ্কার হচ্ছে যে পরমেশ্বরের মানব অবতার প্রকান্ড শক্তি ক্ষেত্রের সাথে সরাসরি সংযুক্ত। ফলে সে সর্ব শক্তিমান, মৃত্যুঞ্জয়ী চিরঞ্জীবী।

317 reads

এরপর কি শিব, কালী, আর তাঁরা কে অশ্লীল বলে ব্যান করা হবে?

বাগেশ্বর বলে এক বাবার আমদানি হয়েছে কিছুদিন যাবৎ।এর কিছু ভিডিও দেখেছি বেশিরভাগ‌ই ঢপবাজি। এর বয়স বেশি নয় এ কিছু লোক কে খাবারের লোভ দেখিয়ে বসিয়ে রাখে আর আগে থেকে সাজানো কয়েক জন লোক কে সামনে ডাকে। হাতে একটা কাগজ নিয়ে বলে যা যা বলেছি মিলেছে তো? এরকম কোন সাধনা নেই যার দ্বারা আগে থেকে অচেনা কারোর সম্পর্কে লিখে ফেলা যায়।

দেবী দূর্গার একটি সাধনা আছে তাতে স্বপ্নে প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়। কর্ন পিশাচিনী সাধনায় পিশাচিনী কানে কানে সব কিছু বলে প্রশ্ন ছাড়াই। তবে এরকম কোন সাধনা হয় না যেখানে আপনি আগে থেকে জেনে যাবেন। কেন নেই এরকম কোন বিদ্যা কারণ খুব সহজ। ধরুন আপনি অচেনা কারোর সম্পর্কে অনেক তথ্য জানলেন এবং কাগজ ছাপিয়ে ফেললেন। কিন্তু অচেনা লোকটি যে আসবেই তার গ্যারান্টি কোথায়।

এই ঢপেশ্বর ওরফে বাগেশ্বর হলো সাধক সমাজের কলঙ্ক। উত্তর ভারতে কিছু ধর্মীয় সংগঠন রয়েছে যেগুলো পরিবার ভিত্তিক। অনেকটা মতুয়া সম্প্রদায়ের মতো বা অনুকূল চন্দ্রের মতো। বাংলাতে আরো এরকম সংস্থা রয়েছে। এদের মূল উদ্দেশ্য হলো নোট ছাপা মানে টাকা লোটা। ভারতের অধিকাংশ মানুষ বুদ্ধিহীন ধর্ম ভীরু এদের বোকা বানানো সব চেয়ে সহজ। ফলে এদের বাড়বাড়ন্ত সাথে রাজনৈতিক দল এদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ভোটব্যাঙ্ক দখলের আশায়।

ফলে এরা একপ্রকার ভগবান হয়ে যায়। এই বাবাজীর কয়েকটি ভিডিও দেখেছি সেখানে আনকোরা লোকের হাতে ল্যাজে গোবরে হতে দেখেছি। আপনি একে সরাসরি প্রশ্ন করতে পারবেন না মানে এর দলবল করতে দেয়না।

দূর্গা পূজাতে খাওয়া দাওয়া নিয়ে কটাক্ষ কে করতে পারে? ভগবান ছাড়া দ্বিতীয় কে? ফলে অহংকারী ঢপেশ্বর বাবা এখন দূর্গা কে গুরুত্ব দেবে কেন? ফলে হাজার হাজার বছরের নিয়ম কে নাস্যাৎ করতে এর অসুবিধা নেই। আগে উত্তর ভারতের ব্রাহ্মনরা বাঙ্গালীদের ম্লেচ্ছ বলতো। আবার সেই দিন ফিরে আসছে বলে মনে হচ্ছে।

কে কি খাবে কে কি পড়বে এটা সম্পূর্ণ কারোর নিজস্ব বিষয়। মহাদেব বাগছাল পরেন, কালী দীগম্বরী আর তাঁরার তো বক্ষ উন্মোচিত। আগামী দিনে অশ্লীল দাগিয়ে এদের না ব্যান করে দেওয়া হয়।

170 reads

2.5 Million Indian Soldiers faught in World war II, omitted in Hollywood war movies

When the Second World War began in 1939, the British Indian Army had a strength of only around 200,000 soldiers. By the time the war…

186 reads

অতি বৃষ্টি তে বন্যার আশঙ্কা

বর্ষা কালে বৃষ্টি অতি সাধারণ একটি বিষয়। কিন্তু এবারের বর্ষা শুরু থেকেই প্রচুর জল ঢালছে। যখন‌ই বৃষ্টি হচ্ছে তখন‌ই মুষলধারে এবং অনেকটা সময় নিয়ে হচ্ছে। ফলে নদী নালার স্বাভাবিক জল ধারন ক্ষমতা ছাপিয়ে যাচ্ছে। আর নদী বাঁধ গুলো চাপে পড়ে যাচ্ছে। যাতে নদী বাঁধ ভেঙ্গে না পড়ে তার কারনে অতিরিক্ত জল ছেড়ে দিতে হচ্ছে। দূর্গাপুর ব্যারেজ, মাইথন, পাঞ্চেত সবাই জল ছাড়ছে। ইতিমধ্যেই একলক্ষ আঠারো হাজার কিউসেক জল ছাড়ছে মাইথন আর পাঞ্চেত। আর দূর্গাপুর ব্যারেজ থেকে এক লক্ষ চল্লিশ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। বীরভূমের কোপাই নদী দুই কূল ছাপিয়ে জল জমিতে উঠে এসেছে।

কঙ্কালীতলা শক্তিপীঠ এর নিকটবর্তী এলাকা সম্পূর্ণরূপে জলমগ্ন। মন্দির প্রাঙ্গণেও জল রয়েছে যদিও মন্দিরের গর্ভ গৃহ অংশে এখনও জল ঢোকেনি। অতিরিক্ত জল ছাড়ার ফলে পশ্চিমবঙ্গের নীচু এলাকা এবং পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, এবং হাওড়ার প্লাবিত হ‌ওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মেদিনীপুরের কেলেঘাই নদীর জল বিপদ সীমার উপরে ব‌ইছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং ও নারায়নগড়ের অনেক গ্ৰাম ও রাস্তা ডুবে গেছে। কেলেঘাই ও কপালেশ্বরী নদীর জলের কারনে বহু এলাকায় বন্যা হয়েছে। এছাড়া পটাশপুর, ভগবান পুরে একাধিক গ্ৰাম জলমগ্ন। ফারাক্কা রেল স্টেশনের কাছে অতিবৃষ্টির কারনে ধ্বস নামে তার ফলে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হয়। এছাড়া বিভিন্ন নদী তে বিপদসীমার উপরে জল বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন জেলায় রেড এলার্ট জারি করা হয়েছে।

বন্যা দুর্গতদের জন্য ত্রিপল ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

59 reads

Why Investors Are Moving from Government Banks to Small Finance Banks: The Changing Banking Landscape in India

India’s banking sector is becoming increasingly competitive as depositors seek better returns on their savings. While Public Sector Banks (PSBs) continue to command public trust…

36 reads