
এরপর কি শিব, কালী, আর তাঁরা কে অশ্লীল বলে ব্যান করা হবে?
বাগেশ্বর বলে এক বাবার আমদানি হয়েছে কিছুদিন যাবৎ।এর কিছু ভিডিও দেখেছি বেশিরভাগই ঢপবাজি। এর বয়স বেশি নয় এ কিছু লোক কে খাবারের লোভ দেখিয়ে বসিয়ে রাখে আর আগে থেকে সাজানো কয়েক জন লোক কে সামনে ডাকে। হাতে একটা কাগজ নিয়ে বলে যা যা বলেছি মিলেছে তো? এরকম কোন সাধনা নেই যার দ্বারা আগে থেকে অচেনা কারোর সম্পর্কে লিখে ফেলা যায়।
দেবী দূর্গার একটি সাধনা আছে তাতে স্বপ্নে প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়। কর্ন পিশাচিনী সাধনায় পিশাচিনী কানে কানে সব কিছু বলে প্রশ্ন ছাড়াই। তবে এরকম কোন সাধনা হয় না যেখানে আপনি আগে থেকে জেনে যাবেন। কেন নেই এরকম কোন বিদ্যা কারণ খুব সহজ। ধরুন আপনি অচেনা কারোর সম্পর্কে অনেক তথ্য জানলেন এবং কাগজ ছাপিয়ে ফেললেন। কিন্তু অচেনা লোকটি যে আসবেই তার গ্যারান্টি কোথায়।
এই ঢপেশ্বর ওরফে বাগেশ্বর হলো সাধক সমাজের কলঙ্ক। উত্তর ভারতে কিছু ধর্মীয় সংগঠন রয়েছে যেগুলো পরিবার ভিত্তিক। অনেকটা মতুয়া সম্প্রদায়ের মতো বা অনুকূল চন্দ্রের মতো। বাংলাতে আরো এরকম সংস্থা রয়েছে। এদের মূল উদ্দেশ্য হলো নোট ছাপা মানে টাকা লোটা। ভারতের অধিকাংশ মানুষ বুদ্ধিহীন ধর্ম ভীরু এদের বোকা বানানো সব চেয়ে সহজ। ফলে এদের বাড়বাড়ন্ত সাথে রাজনৈতিক দল এদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ভোটব্যাঙ্ক দখলের আশায়।
ফলে এরা একপ্রকার ভগবান হয়ে যায়। এই বাবাজীর কয়েকটি ভিডিও দেখেছি সেখানে আনকোরা লোকের হাতে ল্যাজে গোবরে হতে দেখেছি। আপনি একে সরাসরি প্রশ্ন করতে পারবেন না মানে এর দলবল করতে দেয়না।
দূর্গা পূজাতে খাওয়া দাওয়া নিয়ে কটাক্ষ কে করতে পারে? ভগবান ছাড়া দ্বিতীয় কে? ফলে অহংকারী ঢপেশ্বর বাবা এখন দূর্গা কে গুরুত্ব দেবে কেন? ফলে হাজার হাজার বছরের নিয়ম কে নাস্যাৎ করতে এর অসুবিধা নেই। আগে উত্তর ভারতের ব্রাহ্মনরা বাঙ্গালীদের ম্লেচ্ছ বলতো। আবার সেই দিন ফিরে আসছে বলে মনে হচ্ছে।
কে কি খাবে কে কি পড়বে এটা সম্পূর্ণ কারোর নিজস্ব বিষয়। মহাদেব বাগছাল পরেন, কালী দীগম্বরী আর তাঁরার তো বক্ষ উন্মোচিত। আগামী দিনে অশ্লীল দাগিয়ে এদের না ব্যান করে দেওয়া হয়।
